শিক্ষক: জানো, তোমাদের বয়সে আমার বিশ্বাস ছিল, আমি সব জানি! কিন্তু এখন এই ৬০ বছর বয়সে এসে বুঝতে পারছি, আমি কিছুই জানি না।
ছাত্র: এ কথা জানতে আপনার এত বছর লাগল, স্যর? আমরা তো আপনাকে দেখা মাত্রই বুঝে নিয়েছি।
বাংলা জোকস পড়ুন, প্রান খুলে হাসুন
শিক্ষক: জানো, তোমাদের বয়সে আমার বিশ্বাস ছিল, আমি সব জানি! কিন্তু এখন এই ৬০ বছর বয়সে এসে বুঝতে পারছি, আমি কিছুই জানি না।
ছাত্র: এ কথা জানতে আপনার এত বছর লাগল, স্যর? আমরা তো আপনাকে দেখা মাত্রই বুঝে নিয়েছি।
বিদেশের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে—
বেকারদের খেলা: বাস্কেটবল।
শ্রমিকদের খেলা: ফুটবল।
ফোরম্যানদের খেলা: বেসবল।
ম্যানেজারদের খেলা: টেনিস।
সিইওদের খেলা: গলফ।
এ থেকে কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছোতে পারি আমরা? যার যত বেশি রোজগার, তার বল তত ছোট।
শিক্ষক: তোমরা নিশ্চয়ই জানো, মানুষ কীভাবে বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে?
ছাত্র: কিন্তু স্যর, বাবা যে বলেছিল, আমাদের সৃষ্টি হয়েছিল বানর থেকে।
শিক্ষক: এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। এটা একেবারেই তোমাদের পারিবারিক ব্যাপার।
ক্লাস শেষে প্রফেসর ঘোষণা করলেন, ‘পরশু পরীক্ষা। কেউ কোনও অজুহাত দিয়ে পার পাবেন না। তবে নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু কিংবা মারাত্মক শারীরিক অসুস্থতা হলে ভিন্ন কথা। ‘
পেছন থেকে এক ফাজিল ছোকরা বললো, ‘মাত্রাতিরিক্ত সেক্সজনিত ক্লান্তি হলে কি চলবে স্যার?’
প্রফেসর মুচকি হেসে বললেন, ‘উহুঁ, সেক্ষেত্রে তুমি অন্য হাতে লিখবে।’
প্রেমিককে দেখে প্রেমিকা: আমি তোমার চোখে সারা বিশ্ব দেখতে পাচ্ছি।
পিছন থেকে বৃদ্ধ: আমার গরুটাকে কাল থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। দেখুন তো, দেখতে পান কি না।
রহিম মিয়াকে তার বউ এসে বলল, জানো, আমার এত বছর ধরে যে মাথাব্যথাটা ছিল, তা সেরে গেছে।”
রহিম মিয়া বলল,তাই নাকি? কিভাবে?”
“আমি এক সম্মোহনবিদের কাছে গেছিলাম, সে আমাকে এক কায়দা দেখিয়ে দিল। আমি আয়নার সামনে দাঁড়ালাম আর নিজেকে খুব জোর দিয়ে বললাম,
আমার মাথাব্যথা সেরে গেছে,
আমার মাথাব্যথা সেরে গেছে,
অমনি আমার মাথাব্যথা গায়েব!”
রহিম মিয়া বলল,বাহ! বেশ”
বউ বলল,ইয়ে দেখ, তুমিও ত বেশ কিছুদিন বিছানায় কেমন ঠান্ডা মেরে গেছ। বলি কি, উনার কাছে একবার যাও, যদি কোন ফল হয়।”
রহিম মিয়া গেল সম্মোহনবিদের কাছে। ফিরে আসলো অনেক খুশিতে। এসেই সে স্ত্রীকে কোলে তুলে বিছানায় নিয়ে গেল। সব খুলে বউকে বলে,
“আমি দুই মিনিটের জন্য আসছি।”
এই বলে বাথরুমে চলে গেল। ঠিক দুই মিনিট পরে এসেই বউকে এক উত্তাল আনন্দে ভাসিয়ে দিল।
বউ হাঁফাচ্ছে, রহিম মিয়া বলে,আমি দুই মিনিটের জন্য আসছি”
এই বলে আবার বাথরুমে দৌড়। দুই মিনিট পরে এসে আবার এক উদ্দাম পার্ফরমেন্স, বউ হাঁসফাস করে উঠল। তার মাথা ঘুরপাক খাচ্ছে, এমন উথাল পাথাল আবেশ ত বিয়ের শুরুতেও ছিল না!
সামলে উঠতে না উঠতেই রহিম আবার বলে,আমি দুই মিনিটের জন্য আসছি”
এবার বউয়ের কৌতূহল হল, কি করে সে দুই মিনিটে? সে চুপচাপ পিছু নিল।
বাথরুমের দরজায় উঁকি মেরে দেখে, তার রহিম মিয়া আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বলছে,
“এ আমার বউ না
এ আমার বউ না
এ আমার বউ না….”
এক মহিলা আর এক মহিলাকে বললেন, “আমি আর আমার স্বামী দু’জনেই চাকরি করি। কিন্তু দামি শাড়ি কিনতে পারি না। আপনাকে রোজই দেখি নতুন নতুন দামি শাড়ি পরতে। বোধহয় আপনাদের বড় কোনও ব্যবসা আছে। তাই না?”
দ্বিতীয় মহিলা: “হ্যাঁ, আমার স্বামীর বিরাট লন্ড্রি আছে। “
রফিক মিয়া বউয়ের সাথে শপিং মলে হাত ধরাধরি করে ঘুরছিল।
তাই দেখে তার বন্ধু বললো:- বাহঃ রে ভাই বিয়ের এত পরেও এত ভালোবাসা!
রফিক:- ভালোবাসা না ভাই হাত ছাড়লেই কোনো না কোনো দোকানে ঢুকে যাচ্ছে।
দোকানদার চায়ের দোকানে কলা ঝুলিয়ে রেখেছে বিক্রির জন্যে!!
এক ক্রেতা চা খাওয়ার সময় জিজ্ঞেস করলো কলার দাম কত?
দোকানদারঃ কি কাজে কলা ব্যবহার করবেন তার উপর নির্ভর করে কলার দাম!!
ক্রেতাঃ মানে কি?
দোকানদারঃ যদি কোন মিলাদ বা ধর্মীয় কাজে নেন তাহলে দুই টাকা পিচ, যদি রুগির জন্যে নেন তাহলে ৩টাকা পিচ, আর যদি নিজে খাওয়ার জন্যে নেন তবে ৫ টাকা পিচ!
ক্রেতাঃ ইয়ার্কি কর, একই কলার দাম বিভিন্ন হয়?
দোকানদারঃ একই খুঁটি হতে বিদ্যুৎ বাসায় গেলে একদর, দোকানে গেলে আরেক দর, কারখানায় গেলে আরেক দর। তাহলে আমার কলা কি দোষ করলো?
এক ব্যক্তি ডাক্তারকে- “ডাক্তার বাবু, তাড়াতাড়ি আমার বাড়ি চলুন, আমার স্ত্রীর অ্যাপেন্ডিক্সে প্রচুর ব্যাথা হচ্ছে।“
ডাক্তার বললেন- “বোকা কোথাকার, তোমার স্ত্রীর অ্যাপেন্ডিক্স আমি একবছর আগেই অপারেশন করে বাদ দিয়ে দিয়েছি। পৃথিবীতে এরকম কোনো মানুষ নেই যার দুটি অ্যাপেন্ডিক্স আছে।“
এটি শুনে লোকটি বলল- “রিলেক্স ডাক্তার বাবু, রিলেক্স। পৃথিবীতে এরকম কোনো মানুষ নেই, যার দুটি অ্যাপেন্ডিক্স থাকতে পাড়ে, কিন্তু এরকম মানুষতো আছে যার দুটি বউ থাকতে পাড়ে,”
ডাক্তারের জবাব বন্ধ।